Header Border

ঢাকা, শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং | ১১ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল) ৩০°সে

লক্ষীপুরে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীকে মেরে ফেলার চেষ্টা

মুজাহিদুল ইসলাম লক্ষ্মীপুর:- লক্ষীপুর জেলা সদর ২০ নং চর রমনী মোহন ইউনিয়নে ৫ নং ওয়ার্ড মেলকার বাড়িতে গত (৮ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার বেলা ১২:৩০ টার সময় পরকীয়ার জের ধরে নিজ স্ত্রীকে গিয়াস উদ্দিন মেলকার নামের এক ব্যক্তি বেদম মারধর করে মুমূর্ষ অবস্থায় নিজ বাড়ি থেকে এক কিলোমিটার দূরে জোয়ার-ভাটার খালে হাত-পা বেঁধে ফেলে দেয়।
চর রমণীমোহন ইউনিয়ন ৪ নং ওয়ার্ডের ছালমা বেগম নামে এক মেয়ের সাথে গিয়াসউদ্দিন মেলকারের দীর্ঘদিন থেকে অবাধ মেলামেশা চলে। শামসুন্নাহার যখন জানতে পারে তার স্বামী গিয়াসউদ্দিন মেলকারের সাথে ছালমা নামের এক মেয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক, তখন শামসুন্নাহার তার স্বামীকে বারন করেন।
গত কিছুদিন আগে ছালমান নামের মেয়েটি বলে আমার সাথে সম্পর্ক রাখতে হলে তাকে বিদায় করে দাও, এরই সুবাদে পরকীয়ার জের ধরে শামসুন্নাহার এর সাথে বিভিন্ন সময় খারাপ আচরণ, মারধর করে আসছে বলে অভিযোগ করেন শামসুন্নাহার।
শামসুন্নাহারের ভাই ফরিদ হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, আমার বোন শামসুন্নাহার কে গিয়াসউদ্দিন মেলকার দীর্ঘদিন থেকে মারধর এবং যৌতুকের জন্য আমাদের বাড়িতে পাঠাতো, এর আগে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য আমাদের কাছ থেকে প্রায় তিন লক্ষ টাকা নিয়েছে।
গত কয়েক মাস থেকে আমার বোনের সাথে গিয়াসউদ্দিন মেলকার খারাপ আচরণ ও নির্যাতন করে। পরিশেষে আমরা জানতে পারলাম আমাদের পাশের ইউনিয়নের ছালমা নামের এক মেয়ের সাথে তার অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে। এরই সুবাদে গিয়াসউদ্দিন মেলকার তার কিছু সহযোগীদের কে নিয়ে গত( ৮ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার ১২:৩০ টার সময় তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা চালায়। গিয়াসউদ্দিন মেলকারকে সহযোগিতা করে আইনুল মিলকার, জিন্নাত আলী, হযরত আলী, আছর আলী, ফয়সাল।
অত্র ইউনিয়নের কয়েকজন কৃষক গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, গিয়াসউদ্দিন মেলকারের সাথে কিছু সহযোগীরা ওই মেয়েটিকে এমন ভাবে মেরেছে যা বলে শেষ করা যাবেনা। শামসুন্নাহারের চিৎকার শুনে জালাল মোল্লা নামের এক ব্যক্তি তাদেরকে বারণ করে এবং ঘটনাস্থলে গিয়ে শামসুন্নাহার কে বাঁচাতে চেষ্টা করেন তখনই জালাল মোল্লাকে আইনুল মেলকারের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে বাড়ি মারে সাথে সাথে জালাল মোল্লার হাত ভেঙে যায়।
ঘটনাস্থলের আশেপাশে কৃষকেরা দৌড়ে আস্তে আস্তে শামসুন্নাহার কে হাত পা বেঁধে জোয়ার ভাটার খালে ফেলে দেয়। তাৎক্ষণিক সময়ে কৃষকরা এসে শামসুন্নাহার কে মুমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে। পরিশেষে কৃষকেরা শামসুন্নাহার ও জালাল মোল্লাকে শামসুন্নাহারের বাড়ির দিকে নেওয়ার পথিমধ্যেই তার ভাই ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে তাদেরকে পৌঁছে দেয়। পরিশেষে উভয়ের আত্মীয়-স্বজন মিলে তাদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তারা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
অত্র ৫ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীরা জানতে পারে তারা উৎশৃংখল প্রকৃতির লোক। তারা পরের জায়গা জমি নিয়ে বিভিন্ন সময় কাটাকাটি, মারামারি নিয়ে লিপ্ত থাকে। তারা সব সময় সঙ্গবদ্ধ থাকে । ছোটখাটো কোনো বিষয়টিও তারা অনেক বড় করে সেখানে ঝগড়ার সৃষ্টি করে। তারা অত্র ইউনিয়নের কোনো আইন-কানুন মানে না।
অত্র ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের দাবি এদেরকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার জন্য। ভবিষ্যতে তারা যেন এই ধরনের কর্মকান্ড এবং বিভিন্ন ধরনের নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপকর্ম থেকে বিরত থাকে।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

হুইপ আতিক করোনায় আক্রান্ত
বাংলাদেশিসহ ২২ জন উদ্ধার, ১৬ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা
সৌদি পৌঁছেছেন ৩০২ বাংলাদেশি
পাবনা-৪ আসনের উপনির্বাচন বাতিলের দাবি বিএনপি প্রার্থীর
সেফটি পিন দিয়ে চেইন বানিয়ে বাংলাদেশি যুবকের বিশ্ব রেকর্ড
১৫ বছর পর বিয়েবাড়িতে মাকে খুঁজে পেল ছেলে




আরও খবর







Design & Developed BY Raytahost.com