Header Border

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ৩০°সে

আলোচনা-সমালোচনার নাম রাজনীতি, প্রকাশ করতে হয় সেবা ও লেখার মাধ্যমে

মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ আলোচনা-সমালোচনার নাম রাজনীতি, প্রকাশ করতে হয় সেবা ও লেখার মাধ্যমে। অগ্নি কণ্যা মতিয়া চৌধুরী রায়ের বাজার বদ্ধভুমি এসেছিলেন বৃহ্মরোপন কর্মসুচি বিস্তারের লহ্মে। মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী সাফিয়া খাতুন, কাউন্সিলর সাথী আক্তার, মাহামুদা আপা সহ উপস্থিত ছিলো অকল্পনীয় জনসমাগম।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ সাদেক খানের চারা রোপনের ব্যাপকতায় উপস্থিত সবার সাথে মতিয়া চৌধুরীও বিস্মিত হন। দলের প্রতি, দেশের প্রতি পরিবেশ, জনগণ ও নেতা কর্মীদের দায়ীত্ব পালনে পিছুপা নন। মতিয়া চৌধুরী তার চিরাচরিত পরগুনোগান দিয়েই শুরু করলেন। তিন বললেন এখানে অনেক মুখ আমার সামনে, স্বৈরাচার আর অধিকার হরন কারীদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আমার সাথে পুলিশ যখন এই মানুষ গুলোকে থানায় ধরে নিয়ে যেতো, তখন খাওয়ার হাতে এই সাদেক খানকে দাড়িয়ে থাকতে দেখেছি। নেতা অনেকই হয়, নিজের মাঝে অন্যকে খুজার নেতা কম হয়। জাতির জনকের বৃহ্ম প্রেম থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই বৃহ্মরোপন, দেশ ও পরিবেশ বাচাতে বনজ, ফলজ, ঔষধী চারা রোপন করুন।

বয়সের ভারে কিছুটা নরম হলেও কন্ঠে এখনো গর্জন অপরিবর্তিত, মিষ্টি করে শুরুটা হলেও শেষটা গর্জন পরিলহ্মিত হয়। দেশ ও জাতির ও স্বাধীনতা বিরোধী, অধিকার হরন কারীদের মুখোশটা সামনে আসলেই মতিয়া চৌধুরীর গলাটা জেরে বজ্য কন্ঠ হয়ে উঠে। স্বাধীনতা বিরোধীদের সইতে পারেন না। আমরা মতিয়া চৌধুরীর কাছ থেকে কিছু শিখলাম না। বজলু ভাই সংবাদের সম্পাদক, অফিসে যাওয়ার সময় একটি টিফিনবাক্স দরিয়ে দিতেন নিজ হাতে রান্না করা খাবার। অতিরিক্ত বিলাশী জীবন কখনো ভোগ করেন নাই মতিয়া চৌধুরী, এখন তার নিয়মতান্ত্রিক জীবন আমরা দেখছি। কৃষি মন্ত্রীর তালিকায় মতিয়া চৌধুরীর বিকল্প আজও আমরা সৃষ্টি করতে পারি নাই, ভাবতেও পারিনা।

১৯৯৬ সালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জিল্লুর রহমানের মন্ত্রী পাড়ার বাড়ীতে গিয়েছিলাম, আসার পথে একটি বাড়ীতে একটি বাতি জ্বলছে দেখে অভাগ চোখে তাকিয়ে ছিলাম, পাশে দাড়ানো এক বন্ধু বললেন এই বাড়ীতে মতিয়া আপা আর বজলু ভাই থাকে। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ করে না। অতিরিক্ত খাওয়া, পোষাক, অপ্রয়োজনীয় সময় ব্যায় করা পছন্দ করেন না। বজলু ভাই এর সংবাদ, মতিয়া আপার রাজনীতি এর বাহিরে কিছুই বুজেন না।

১৯৯৭ সালে এই রায়ের বাজার বদ্ধভুমিতে মতিয়া চৌধুরী আমাদের সহায়তা এগিয়ে এসেছিলেন, মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ থানার সীমানা নির্ধারন মীমাংসা জন্য,  মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্শনের সহ্মম হয়ে ছিলাম। পুলিশের বাধার মুখে মতিয়া চৌধুরী হয়েছিলেন জনতার হাতিয়া। সেবা ও জনতার সহায়তাকারীকে জনগণ কখনো  ভুলে না, প্রতিদান দিতেও ভুল করেনা। ভালোবাসার মৃত্যু নাই, জাতির জনকের স্থান অপরিবর্তিত। অপরিবর্তিত থাকবেন জাতির জন্য দেশের জন্য যাদের নীতি আদর্শ অপরিবর্তিত ছিলো এবং আছে। অর্থের অনর্থ যারা করেছেন, অপব্যবহার যারা করেছেন তারা নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছেন।দানবিররা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছেন।রাজনীতি নিরবে হয় না, আলোচনা-সমালোচনার নাম রাজনীতি, প্রতিপহ্মের কাছে কতটুকু সমালোচনা স্থান দখল করতে পারলেন, নিজের দলের গ্রহনযোগ্য ও আলোচনার বিষয়। দেশ, দল ও জনগণের সেবার কর্মসুচি প্রকাশ করার মাধ্যমে রাজনৈতিক সফলতা আপনাকে লহ্ম অর্জনে সহায়ক হতে পারে। কোথায় পাবো কি করে গড়ে উঠবে আগামী প্রজন্মের জন্য শেখ হাসিনা, সাহারা খাতুন, মতিয়া চৌধুরী, তোফায়েল আহম্মেদরা। ঈদের আনন্দ হারিয়ে আমাকে আজ ভাবনার সাগরে নিমজ্জিত করেছেন, সমাধানের পথ নাই বলে।

লেখকঃ বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব ও রাজধানী মোহাম্মদপুর থানার ৩৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব রবিউল আলম।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

কুষ্টিয়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন




আরও খবর







Design & Developed BY Raytahost.com