Header Border

ঢাকা, রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২০ ইং | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বর্ষাকাল) ২৯°সে

শ্রমবাজার এখনো সংকুচিত

মালয়েশিয়া নিয়ে ধোঁয়াশা, সংকট কাটছে না আমিরাতের

সুত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর শেষ মুহূর্তে হঠাৎ সেখানে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। বারবার প্রতিশ্রুতি এলেও শ্রমবাজারের অনিশ্চয়তা কিছুতেই কাটছে না। প্রায় একই পরিস্থিতি বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলোতেও। বারবার আশার আলো জ্বললেও বাস্তবে ধরা দিচ্ছে না। আরব আমিরাতের শ্রমবাজার নিয়ে শুধু আশ্বাসই পাওয়া যাচ্ছে। সৌদি আরবে নারী কর্মীদের নির্যাতিত-নিপীড়িত হওয়া তৈরি করেছে নতুন দুঃশ্চিন্তা।

কার্যত সাত বছর ধরে বন্ধ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই শ্রমবাজার। স্বল্প পরিসরে খোলা থাকলেও তা শুধু গৃহশ্রমিক খাতে সীমাবদ্ধ। যেখানে ২০১২ সাল পর্যন্ত বছরে আড়াই থেকে ৩ লাখ কর্মী পাঠানো হতো। এখন তা আড়াই হাজারে নেমেছে। চলতি বছরের নয় মাসে ২ হাজার ৪০৩ জন কর্মী পাঠানো গেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। নানা দেনদরবার করেও পুরুষ কর্মী পাঠানো সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও আমিরাত সরকারের শীর্ষ মহলে কথা বলেছেন শ্রমবাজার নিয়ে। এ সময় আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাসও পাওয়া গেছে। শুধু আমিরাত নয়, শ্রমবাজার বন্ধ রয়েছে বাহরাইনেও। জর্ডান, লেবাননও সীমিত সংখ্যক কর্মী নিচ্ছে। মালদ্বীপ সরকার তার দেশে এক বছরের জন্য বাংলাদেশ থেকে কর্মী না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ ধনী দেশ  কাতার সরকারও কিছু দিন ধরে বাংলাদেশি কর্মীদের ভিসা ইস্যু করছে না। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা কাতারও যে কোনো সময় শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে। জানা যায়, এক বছর আলোচনার পর মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের বিষয়ে একমত হয়। গত মাসের শুরুতে মালয়েশিয়ায় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকে বন্ধ শ্রমবাজার দ্রুততম সময়ে খোলার বিষয়ে এ ঐকমত্য হয়। ডিসেম্বরেই মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু করার আশার কথা শোনা যায়। কথা ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়ার খুটিনাটি বিষয়গুলো আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করা হবে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদের ঢাকা সফরে। দিনক্ষণও ঠিক করা হয়। বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক রপ্তানি শুরু করার সময় এবং এক্ষেত্রে উভয় দেশের এজেন্সিগুলোর সম্পৃক্ততার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা ছিল এই আলোচনায়। ২৪ বা ২৫ নভেম্বর প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরে আসার পর সমঝোতা স্মারক সই হবে। এরপরই খুলে যাবে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। কিন্তু গত ১৮ নভেম্বর হঠাৎ করেই অনুষ্ঠিতব্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশকে জানিয়ে দেয় মালয়েশিয়া। ফলে আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি। অথচ মালয়েশিয়ায় দুই মন্ত্রীর বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, অভিবাসন ব্যয় কমাতে দুই দেশ একমত। বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের দেশ ছাড়ার আগেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে। অধিক সংখ্যায় রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাতে পারবে। দুই দেশের মধ্যে যেসব আলোচনা হয়েছে, তা চূড়ান্ত করতেই জয়েন্ট ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হবে। জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার কয়েকজন নেতা জানান, দুই দেশের অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রভাবেই আবারও ঝুলে গেছে গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজারটি উন্মুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়া।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী বাজারকে পরিছন্ন রাখতে আওয়ামীলীগ নেতার ডাস্টবিন বিতরণ
পাকিস্তানে স্টক এক্সচেঞ্জে বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৬
আন্তর্জাতিক পরিবার রেমিট্যান্স দিবসঃ প্রিয়জনের কাছে অর্থ প্রেরণ
ভারতের সঙ্গে রেলপথে আমদানি-রফতানি শুরু




আরও খবর







Design & Developed BY Raytahost.com